জীবনের পরে মৃত্যু এক আনিবার্য বিষয়। মানুষের বেঁচে থাকা বা জীবনের গতি বহমান থাকে কেবল সম্ভাবনামাত্র । রাসুল (সঃ) ইরশাদ করেছেনঃ- ''তোমরা বেশী বেশী সেই মৃত্যুর কথা স্মরণ কর , যা মৃত্যু তোমাদের দুনিয়াবী স্বাদ বিনষ্ট করে দেয় ।

ঈদ-ই মিলাদুন্নাবী (সঃ) সম্পর্কে কিছু কথা--- ।।আলহাজ্ব হযরাত সৈইয়দ জাহিরুল ইসলাম।।

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামঈনের, যিনি জগৎ সমূহের অধিপতি এবং অসংখ্য সালাত ও সালাম ভেজী আশরাফুল আম্বিয়া, খাতামুন্নাবীঈন, পাপীদের কান্ডারী হযরত মোহাম্মাদ (সঃ) -র উপর যার স্‌ষ্টি না হলে বিশ্ব জগতের কোন কিছুর স্‌ষ্টি হত না। যেমন এশাদ হচ্ছে  ''লাউলাকা লামা খলাকতুল আফলাক'' (হাদীসে কুদসী)। মহান
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যখন নিজে প্রকাশ হতে চাইলেন তখন তাঁর হাবীব মোহাম্মাদ (সঃ)-র নূর মোবারক স্‌ষ্টি করেন। এ প্র্সঙ্গে রাসূল (সঃ) বলেছেন ''আউয়ালু মা খালাকাল্লাহু নুরী'' (আল হাদিস) আতঃপর তাঁর উসিলায় আল্লাহ পাক সবকিছু স্‌ষ্টি করেছেন। মহান আল্লাহ তাঁর হাবিব কে  সকল স্‌ষ্টির আদিতে স্‌ষ্টি করে সবার শেযে মানবতার মুক্তির অগ্রদূত হিসেবে এই ধরনীতে প্রেরণ করেন। সেই মহান রাসূল যেই তারিক বা দিনে ধরায় শুভাগমন করেন সেই তারিক বা দিনকে আহলে সুন্নাত ওয়ালজামাত এর ধর্ম প্রান মুসলমারা ঈদ হিসেবে পালন করেন। ঈদ শব্দের অর্থ খুশি, আনন্দ ইত্যাদি। আর মিলাদুন্নী(সঃ) এর যৌগিক অর্থ হছে নবী করিম (সঃ)-এর জন্ম। সুতরাং ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)-র অর্থ হচ্ছে নবী করিম(সঃ)-র জন্ম বৃত্তান্তে আনন্দ প্রকাশ করা, খুশি জাহির করা ইত্যদি। মুসলিম মিল্লাত প্রতি বছর যথা শাধ্য প্রচেষ্টায় শান শওকতে নবীজির ওলাদত শরীফের দিনটিতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) পালন করে থাকেন। কিন্তূ পরিতাপের বিযয় যে, এক শ্রেনীর মুসলমান উহার বিরোধীতা করেন। তারা বলে মিলাদ সম্পর্কে কোন কথা কুরআন শরিফে নেই। আথচ আল্লাহ রাব্বূল আলামীন পবিএ কোরআন শরিফে অনেক নবীর মিলাদ বর্ণনা করেছেন। যেমন হযরত ঈসা,
মূসা,ইবরাহিম, ইসমাইল, মরিয়ম , যাকা রিয়া, (আঃ) প্রভ্‌তি নবীর মিলাদ পবিত্র কোরআনে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তূ  যিনি নবীদের নবী, যার খাতিরে সমস্ত স্‌ষ্টি , সাঈয়িদূল মূরছালিন খোদার পেয়ারা হাবিব, তাঁর কি মিলাদ পবীএ কোরআনে নেই ????? আসলে যাদের কোরান  হাদিসের জ্ঞানের পরিধি স্বল্প তারা জানবে কোথা থেকে। শুধু কোরানে করীমে কেন ????? আন্যান্য সকল বড় বড় আসমাণী কিতাব গুলোতেও নবী(সঃ) -র মিলাদ বর্ণনা করা হয়েছে। মিলাদ শরীফ পবিত্র কোরানে, হাদিস, ইজমায়ে উম্মত , কিয়াস, চার  মাজহাবের উলামায়ে কেরামের মতামত,ফেরেস্তা এবং পয়গাম্বর (আঃ) গণের কাযকলাপ দ্বারা প্রমানিত । আমি এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা না করে একান্ত সংক্ষিপ্ত আকারে পাঠক- পাঠিকা সমীপে তুলে ধরলাম। আশা  করি এর ব্দারা আপনারা সঠিক পথের দিক নিদেশনা পাবেন।  পবিত্র কোরআনে আল্লাহ পাক বলেন ''লাক্কাদ জা আকুম রাসুলুন মিন আনফুছিকুম আজিজুন আলাইহি মা আনিততুমহারিছুন আলাইকুম বিল মুমিনিনা রাউফুর রাহিম।''  এই আয়াতে রাসুল (সঃ)-র আগমন,তাঁর বংশধারা এবং তার গুনাগুন সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে যা মিলাদের মধ্যে পাঠ করা হয়। আল্লাহ পাক বলেন ''ওয়াজকুর নি'মাতাল্লাহি আলাইকুম''  অথাৎ তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামতকে স্বরন কর। এখানে নি'মাতুন বলে মহানবী (সঃ) কে বুঝানো হয়েছে।  কারণ তিনি হচ্ছেন নিয়ামতে কুবরা বা বড় নিয়ামত। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনের অন্য জায়গায় বলেন ''কুল বি ফাদলিকা ওয়া বি রাহমাতিকা ফাবিজালিকা ফালিয়াফরাহু'' অথাৎ আল্লাহ পাকের ফজল ও মেহেরবানির উপর খুশী প্রকাশ কর। ইয়া ওয়াজিব। আর খুশী প্রকাশ করার উপলক্ষ্য হল মুহাম্মাদ (সঃ) নামক ফজল ও রহমত। কারন মোহাম্মদ (সঃ) -ই হচ্ছেন আমাদের জন্য রহমত। যেমন- আল্লাহ পাক বলেন ''ওমা আরছালনাকা.........রাহ মাতাল্লিল আলামিন।'' আন্য আয়াতে আল্লাহ পাক বলেন ''মুহাম্মাদুর রাসুল্ললাহ ওয়ালল্লাজিনা মাআহু আশিদদাহু আলাল কুফফারী..................।'' অত্র আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আল্মমীন নবী করিম (সঃ) ও তাঁর সাহাবায়ে কেরামের প্রশংসা করেছেন। তাফসীরে রুহুল বায়ানে উহার বিশদ ব্যাখা রয়েছে। ব্যাখার মধ্যে মিলাদ মাহফিল করতঃ মহানবি (সঃ)-র প্রতি তাজিম ও তাকরিরের  কথা উল্লেখ আছে। কোরআনে ক্রিমে আরো উল্লেখ আছে ''ওয়াআম্মা বি নি'মাতি রাব্বিকা ফাহাদ্দিছ''মিলাদের মাধ্যমে তাঁর আলচনা করা হয়। আন্য আয়াতে আল্লাহপাক বলেন-''ইন্নাল্লাহা ওয়া মালাইকাতাহু............তাসলিমা''   অথাৎ নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগন নবীর উপর দুরুদ পাঠ করেন। এচাড়া আরও বিভিন্ন আয়াত দ্বারা নবিজির চরিত্র প্রশংসা বর্ণনা থাকায় বুঝা যায় যে, মিলাদ শরীফ সুন্নতে এলাহী। আসমানী সকল কিতাবে আমাদেরনবীর মিলাদের কথা উল্লেখ আছে । সকল নবী ও রাসুলগনকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবুওতী দিয়েছেন এই শর্তে যে, তমাদের সময় আমার হাবিব মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ)-র আগমন হলে তমাদের নবুওতি রহিত হবে এবং তমরা তাঁর অনুসারী হবে । তাছাড়া সকল নবী ও রাসুলের সেই কালিমা ছিল, যেই কলেমা আমরা পড়ে থকী। হযরত ঈসা (আঃ) তাঁর উম্মতদেরকে বলেছিলেন আমি তোমাদেরকে এমন এক রাসুলের সুসংবাদ দিচ্ছি, যিনি আমার পরে আসবেন, তাঁর নাম হবে আহমদ যা আল্লাহ পাক তাঁর কুদরতী ভাষায় বর্ণনা করেছেন, ''ওয়া মুবাশি...রাম বিরাসুলি ইয়াতি মিম বা'দিস মুহু আহমাদ'' সুতরাং ইয়া দ্বারা বুঝা যায় ইহা সুন্নাতে আম্বিয়া।(মাদারেজুন নবুওত) রাসুলে পাক (সঃ)-র নিজে মিম্বরে দাঁড়িয়ে সাহাবায়ে কেরামের সস্মুখে নিজের জীবন বৄত্তান্ত ও নিজ গুণাগুণ বর্ণনা করতেন ।মিশকাত শরীফের ২য় খন্ড ''বাবে ফাদ্বাঈলে সাইয়িদুল মুরসালিন'' ২য় পরিচ্ছেদের মধ্য হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে এক্তি হাদিস রয়েছে য়ে, রাসূল(সঃ) মিম্বরে উঠে স্বীয় মিলাদ ও গুনাগুন সাহাবায়ে কেরামের সম্মুখে বর্ণনা করেছেন। এ ধরনের আরো অসংখ্য হাদিস রয়েছে, যা থেকে বুঝা যায় মিলাদ শরীফ সুন্নাতে রাসুল (সঃ)। সাহাবায়ে কেরাম নবী (সঃ)-র মিলাদ গুনাগুন, প্রশংসা নবীর সম্মুখে করতেন। নবি(সঃ)ক কখনো তা বাধা না দিয়ে বরং উৎসাহ দিতেন তা করার জন্য। হযরত হাসান বিন সাবিত (রঃ) যখন নবির শানে কবিতা লিখে আব্‌ত্তি করতেন, তখন নবী করিম (সঃ) তাঁর (হাসানের) জন্য মিম্বর বানাতেন, যাতে হাসান বিন সাবিত (রাঃ) উহাতে দাঁড়িয়ে হুজুরের প্রশংসা করতে পারেন। নবী করিম (সঃ) হাসানের জন্য  এই বলে দোয়া করতেন আল্লাহুম্মা আইইদহু বিরুহিল কুদুছ'' তাছাড়া সাহাবায়ে কেরাম একজন আন্যজনের নিকট গিয়ে বলতেন আমাকে রাসূলের(সঃ) মিলাদ ও নাত, শুনাও, এতে শুনানো হত। তাই বলা যায়যে, মিলাদ হচ্ছে সুন্নাতে সাহাবা। কেউ কেউ বলে থাকেন যে,বৎস্রে নাকি দুটি ঈদ। এদল আলিম সমাজ ''ঈদে মিলাদুন্ননাবী'' নামক আর একটি দিন বের করে বেশি সম্মান করেছে । আমি তাদের উক্তির প্র০ত্তরে বলতে চাই, বৎসরে ঈদের দিন রয়েছে মোট ৫৫ টি, তম্মধো  ঈদে মিলাদুন্নাবী (সঃ)


 হচ্ছে সর্বোত্তম। উহা হচ্ছে সকল ঈদের সেরা ঈদ। কারন বৎসরের সকল ঈদের দিন আমরা পেয়েছি মিলাদুন্নাবী (সঃ)-র উসিলায় । ''লাইলাতু ক্বাদরী খাইরুমমীন আলফি সহার ''  অথাৎ লাইলাতুল ক্বাদর হাজার মাস হতে উত্তম । এই আয়াতের ব্যাখ্যায়  ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ুতী (রাঃ) ব্লেছন, লাইলাতুল ক্বাদর হতে শবে মিলাদ উত্তম । কারন লাইলাতুল ক্বাদর


আল্লাহ তাঁর প্রিয় হাবিবকে দান করেছেন । আর একথা সর্বজন স্বীক্‌ত য়ে ,যাকে কন কিছু দান করা হয় তাঁর চেয়ে দানক্‌ত বস্তর মযার্দা বেশী নয় । মিলাদ-কিয়ামের বৈধতা সম্পর্কে চারি  মাযহাবের মুহাদ্দিস ও মুফতী গনের ফতুয়া নিম্নে পেশ করলাম ,যা-'কে জাহান্নামী' কিতাবের ৩৩ নং প্‌ষ্টায় রয়েছে ।




***মক্কা শরীফের হাম্বালী মাজহাবের মুফতি আল্লামা মালেক বিন ইব্রাহিম (রঃ) বলেন, হুজুর নবীয়ে করিম (সঃ)-র পয়দায়েশের কথা শ্রবন করে তাঁতা তাজীমের জন্য দণ্ডায়মান হওয়া সকল আলেম ও বুজুর্গদিগের মতে সুন্নাত।


***মক্কা শরীফের মালেকী মাজহাবের মুফতী আল্লামা হোইন বিন ইব্রাহিম (রঃ) বলেন বহু সংখ্যক উলামা সাইয়্যিদুল আওয়ালীন অয়াল আখিরীন (সঃ)-র অয়ালাদতের আলচনা কালে কিয়াম করা মুস্তাহাব বলেছেন।


***  মক্কা শরীফের শফেয়ী   মাজহাবের মুফতি মুহাম্মাদ সাইয়্যিদ বিন মোহাম্মাদ বারসিল (রঃ) ব্লেন-হুজুর নবীয়ে পাক (সঃ)-র জন্ম ব্‌ত্তান্ত বর্ণনার সময় যে কিয়াম করা হয় উহা কারো মতে মুস্তাহাব, আর কারো মতে সর্বোত্তম বিদআত বা জায়েজ।


 *** মক্কা শরীফের হানাফী মাজহাবের মুফতী আল্লামা আব্দুর রাহমান সিরাজ মক্কী (রঃ) বলেন হুজুর নবী করিম (সঃ) -র জন্ম ব্‌ত্তান্ত  বর্ণনার সময় কিয়াম করা জায়েজ ও উত্তম। মক্কা, মদিনা, রোম, শাম এবং  মিশরের চার মুকাল্লিদ আলেমগনের আভিমত ও পত ইহাই যে, যদি উহা মুহাব্বতের সাথে করা এবং অয়াজীব মনে করা না হয় তা হলে জায়েজ। কিন্তু যদি কেউ অশ্বীকার করে তখন তা আমল করা ওয়াজীব হয়ে যাবে।


+++)যারা মিলাদ অশ্বীকার করে তাদের বুজুর্গানে কেরামদের মিলাদএর পক্কের কিছু উক্তি পেশ করতে যাছি-


+++) মাওঃ আশ্রাফ আলী থানবী তাঁর রচিত 'এমদাদুল মিশ্তাক' কিতাবের ৮৮ ণং প্‌ষ্টায় আছে । তিনি  বলেন -''ঐরূপ কাজকে (মিলাদকে) অশ্বীকার করলে ইয়ার মানুযকে নেক কাজ হতে বিরত রাখা হয় । যেমন কেউ মিলাদ শরীফের মাহফিলে হযরত নবী করিমের (সঃ) নাম মোবারক পাঠের সময় সম্মানের জন্য দাঁড়ীয়ে পড়ে । ইহাতে দোষ কি ????যখন তাদের কাছে কন


সম্মানিত ব্যক্তি হাজির হন, তখন লকেরা সম্মানের জন্য দাঁড়ীয়ে পড়ে । আর নবী কুলের সরদার, রাসুলগনের রাসুল(সঃ)-র নাম মোবারক পড়া শুনে নামের সম্মানারর্তে দাঁড়ীয়ে যাওয়া কেন গুনাহ হবে????




+++) মাওঃ ফইয়জুল হাসান সাহারান পুরি (রঃ) বলেন ''যে ব্যক্তি মিলাদ মাহফিলে উপস্তিতহন, তাঁর জন্য কর্তাব্য হলো যখন মজলিসের লকেরা কিয়াম করে তখন তিনিও যেন কিয়াম করেন '' (শিফা উস্‌সুদুর ১০ নং  প্‌ষ্টায়)


+++)দেওবন্দী আলেম আল্লামা মিফতী শাফী সাহেব ''ফতুয়ায়ে লারুল উলুম দেওবন্দ'' কিতাবের ২য় খণ্ডে ২০০নং প্‌ষ্টায় লিখেছেন -রাসুল (সঃ)-র আলচনা যদি বদ রুসুম হতে মিক্ত হয় তবে সেই মিলাদ শরিফ পড়া হবে ছওয়াবের কাজ আফজাল।।


+++)দেওবন্দ মাজহাবের প্রতম ইমাম সৈয়দ আহমদ বেরলভীর মুরীদ মাওঃ আব্দুল হাই বুড্ডানবী সাহেব তাঁর ''ফতুয়ায়ে আব্দুল হাই '' কিতাবের ৯৫ নং প্‌ষ্টায় লিখেছেন হুজুর নবীয়ে করিম রাহিমের (সঃ) জন্ম ব্‌ত্তান্তের আলচনা ,যা লাখো বরকত ও
শান্তির কারণ, তা বিশেস সময় ব্যতিত সব সময় সকল মুসলমানের  রগ রেশায় মধ্য জাগ্রত র‍য়েছে । নবীয়ে করিম (সঃ) ভুমিষ্ট হওয়ার সংবাদ শুনে আবু লাহাব খুশি হ্যেচ্ছিল, সেই কারনে প্রতি সো্মবার আবু লাহাবের আজাব লাঘব করা হয় । তা হলে এক জন মুমিন -মুসলমান, নবীর উম্মত, নবী পাকের জন্ম দিনে খুশী হয়ে যদি আনন্দ প্রকাশ করে, তবে সে কেন উচ্চ মযাদায় উপনীত হতে পারে না ?????


 +++)দেওবন্দের সবচেয়ে বড় আলেম, পীর হাজী এমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কি (রঃ) তাঁর রচিত কিতাবে ''ফায়দালায়ে হাফত মাসাল্লাহর ৫নং প্‌ষ্টায় লিখেছেন ''আমি মিলাদ মাহফিলে শরীক হই এবং বরকতের আশায় প্রতি বৎসর ইয়া(মিলাদুন্নাবী) উদযাপন করে থাকি। আর কিয়ামের সময় আনন্দ ও স্বাদ পেয়ে থাকি।তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের আলেমগণ মিলাদ শরীফ নিয়ে খুবি ঝগড়া করে থাকেন।  কিন্তু  যখন উহাতে জায়েজের কারণ রয়েছে থখন এত কড়াকড়ি করেন কেন ?? আমাদের জন্য মক্কা ও মদিনা শ্রীফের তাবেদারী করাই  যথেষ্ট কারণ, তারা সেখানকার আলেমগনের মতামত নিয়েই মিলাদ ও কিয়াম করতেন। আবশ্যিই কিয়াম করার সময় এরূপ আক্কীদা রাখা যে হুজুর  (সঃ) এই মুহুতেই জন্ম গ্রহন করেছেন,ঐরূপ বিশ্বাস না করা চাই। তিনি আরো বলেন যদি কেউ ইহারে (মিলদ।কিয়ামকে)  অয়াজীব মনে করে তবে শুধু তার অয়াজিব মনে করা নিষেধহবে। তাতে মিলাদ মাহফিল নিষেধ হতে পারে না।
আমি আমার লিখনিতে দিঘদলিলাদি পেশ না করে  মিলাদ অস্বীকার কারী ভাই দের  বলতে চাই, আপনারা নবির পেম- প্রীতি অন্তরে সর্বগ্রে স্থান দিন, তার প্র আবশ্যই দেখবেন  অসংখ্য দলিল মিলাদের পক্ষে এসে গেছে । কিন্তু নবীর প্রেম-ভালোবাসা আন্তরে  স্থান না দিলে কন সময়ই মিলাদের পক্ষের দলিল সামনে খুজে পাবেন না ঐ ব্যক্তিদের ন্যয় যারা নবী করিম (সঃ) কে দেখে ছিল আথচ মুসলমান হতে পারেনি । মহান আল্লাহর দরবারে  আরজ যে রজ কিয়ামতের দিনে তাঁর শাফায়াতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করি আমিন ছুম্মা আমিন।।