জীবনের পরে মৃত্যু এক আনিবার্য বিষয়। মানুষের বেঁচে থাকা বা জীবনের গতি বহমান থাকে কেবল সম্ভাবনামাত্র । রাসুল (সঃ) ইরশাদ করেছেনঃ- ''তোমরা বেশী বেশী সেই মৃত্যুর কথা স্মরণ কর , যা মৃত্যু তোমাদের দুনিয়াবী স্বাদ বিনষ্ট করে দেয় ।

শ্বাস- প্রশ্বাসের আমলঃ ->>>হযরত ফুলতালী ছাহেব কিবলাহ (অনুলিখন- মুহাম্মদ সিদ্দীকুর রহমান চৌধুরী)

                                                       بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِيۡمِ

 জীবনের পরে মৃত্যু এক আনিবার্য বিষয়। মানুষের বেঁচে থাকা বা জীবনের গতি বহমান থাকে কেবল সম্ভাবনামাত্র । রাসুল (সঃ) ইরশাদ করেছেনঃ-  ''তোমরা বেশী বেশী সেই মৃত্যুর কথা স্মরণ কর , যা মৃত্যু তোমাদের দুনিয়াবী স্বাদ বিনষ্ট করে দেয় ।

মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসই জানান দেয় তার জীবনের উপস্থিতির কথা । একটি শ্বাস ত্যাগ করার সাথে জীবনের একটি মুহূর্তও কমে যায় । প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাসকে মানুষের আমলনামায় রেকর্ড করা হয়ে থাকে । এই কারণে তরীকতের বুজূর্গান প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাসের সাতে আল্লাহ্‌র স্মরণকে জারি রাখার আমলকে আত্যধিক গুরুত্ব দিয়েছেন । এটি  মানুষের জীবনের জন্য সার্থক- উপকারী একটি আমল। এই আমলের নিয়াম হল - শ্বাস গ্রহণ করার সময় অন্তরের ভাসায়...(লা ইলাহা-) এবং শ্বাস ত্যগ করার সময়...(ইল্লাল্লাহ) বলা। এতে মুখ-জিহ্বা-ঠোঁট কোনরূপ হরকত করবে না। শুধুমাত্র নাক দিয়ে শ্বাস গ্রহণ ও বর্জনের সাথে এই অভ্যাস গড়ে তুলা।
কোন তরিকার বুজুর্গান বলেছেন শ্বাস গ্রহণকালে...(আল্লাহ্‌-) এবং শ্বাস ত্যগ করতে...( হু ) বলা । এই প্রক্রিয়ায়ও -ঠোঁট ও জিহ্বার সাথে কোন সম্পর্ক না রেখে কেবল শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে অভ্যস করা । এই যিক্‌র দিনরাত-জীবনভ্র চলতে থকবে । এতে করে জীবনের প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাস আল্লাহ্‌র স্মরণে ব্যয় হবে।