একাগ্রচিত্তে যে নামায পড়া হয় সে নামায মু'মিনকে দ্রুত আল্লাহ্র সান্নিধ্যে নিয়ে পৌছায়। যে ব্যত্তি যত বিশুদ্ধভাবে ও শান্তি মনে নামায আদায় করে তাঁর জীবনও তত শান্তিময় ও নিরাপত্তার সাথে কাটে। নামাযের রুকু ও সিজদাতে নিজেকে কাতর ও লাচার হিসাবে আল্লাহ্র সন্নিধানে সমর্পণ করা মুমিনের ইজ্জত ও সম্মানের কারণ।
যে নামায মু'মিনের অন্তর ও চোখে পরিতৃপ্তির পরশ বুলিয়ে দেয় সে নামাযই প্রকৃত নামায । রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেনঃ ''নামাযে আমার চক্ষু শীতল হয়।'' আল্লাহ পাক তাঁর বান্দার কাতরতা ও ব্যাকুলতাকে খুবই পছন্দ করেন। বান্দাহ যখন আল্লাহ্র হুজুরে সমর্পিত হয়, তখন আল্লাহ্ সেই বান্দার দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেন । ইবাদতে বিশুদ্ধ একাগ্রতাই মকবুলিয়তের কারণ। তাই একাগ্রচিত্তে নামায আদায়ের ব্যাপারে নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ ''তমি আল্লাহ্ তাআলার ইবাদত এমনভাবে কর, যেন তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ; আর যদি তাঁকে দেখার মা'রেফাতের চক্ষু না থাকে তবে তিনি তমাকে দেখছেন- এই দারণা করা ।
যে নামায মু'মিনের অন্তর ও চোখে পরিতৃপ্তির পরশ বুলিয়ে দেয় সে নামাযই প্রকৃত নামায । রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেনঃ ''নামাযে আমার চক্ষু শীতল হয়।'' আল্লাহ পাক তাঁর বান্দার কাতরতা ও ব্যাকুলতাকে খুবই পছন্দ করেন। বান্দাহ যখন আল্লাহ্র হুজুরে সমর্পিত হয়, তখন আল্লাহ্ সেই বান্দার দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেন । ইবাদতে বিশুদ্ধ একাগ্রতাই মকবুলিয়তের কারণ। তাই একাগ্রচিত্তে নামায আদায়ের ব্যাপারে নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ ''তমি আল্লাহ্ তাআলার ইবাদত এমনভাবে কর, যেন তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ; আর যদি তাঁকে দেখার মা'রেফাতের চক্ষু না থাকে তবে তিনি তমাকে দেখছেন- এই দারণা করা ।

