
কাজের ফল ভাল বা খারাফ হওয়া নির্ভর করে নিয়তের উপর । যেমন আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ ''প্রত্যেক সম্প্রদায় বা জাতি তার স্বভাবসুলভ আচরণ প্রকাশ করে থাকে অর্থাৎ- উদ্দেশ্য অনুপাতে কাজ করে থাকে।'' এবং রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ-'' সকল কাজই নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল'' মানুষ জীবনে
যেসব কাজ আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রাসূলের সন্তূষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে করে থাকে সেগুলোর নামই হল ইবাদত ।আর মানুষের জীবন যখন উবুদিয়ত আথাৎ দাসত্বের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে যায় সে সময়ই তার জীবনের সকল কাজ বা আমলিয়াত ইবাদাতে গণ্য হয়। আল্লাহর প্রকৃত দাসত্ব অর্জনের শিক্ষা রাহমাতুল্লিল আলানীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবন থেকেই পাওয়া যায়।নবী পাকের পছন্দনীয় সকল কাজ আমাদের জন্য ইবাদত আর যেসব কাজ তাঁর কাছে আপছন্দনীয় ছিল সেগুলো আমাদের জন্য মা'ছিয়ত আথাৎ গুনাহ। তাই রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর তাবেদারীই হলো আল্লাহর তাবেদারী, আর এটাই প্রকৃষ্ট উবুদিয়ত বা দাসত্ব।একজন মানুষের যে কো ন কাজই ইবাদতে গণ্য হতে পারে যদি তার কাজে নিয়্যতের শুদ্ধতা থাকে এবং উদ্দেশ্য হয় আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের সন্তূষ্টি অর্জন। এই অর্থে মানুষের জীবনের এমন কোন কাজই নেই যা ইবাদতে সামিল হতে পারে না । যেমন -একজন লকের বিবাহের উদ্দেশ্য যদি হয়- গুনাহ থেকে বেচেঁ থাকা এবং পারিবারিক ব্যবহার দিয়ে আল্লাহর কাছে ভাল মানুষ হিসেবে পরিগনিত হওয়া। যেমন রাসূলুল্লাহ(সঃ) বলেছেনঃ ''তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম যে তার পরিজনের কাছে ভাল মানুষ হিসাবে বিবেচিত। আর এই বিবাহের উদ্দেশ্য এও হতে পারে যে, নেক সন্তানাদি দুনিয়ায় রেখে যাওয়া;যাদের নেকীর দ্বারা মাতা-পিতা চরম লাভবান হতে পারেন। তাহলে নিয়াত ও উদ্দেশের শুদ্ধতার কারণে ব্যত্তির বিবাহকর্ম, সন্তানাদি জন্মদানসহ দাম্পত্য জীবনের প্রতিটি ভাল কাজই ইবাদাত গণ্য হবে। আনুরূপভাবে হালাল উপার্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য করা, দৈহিক-মানসিক পরিশ্রম করা বা আন্য যে কোন ভাবে নিজের ও পরিবার-পরিজনের হালাল রোযি-রিজেকের বন্দবস্ত করার প্রচেষ্টা চালানো, এ শব কিছুতেই বান্দার উবুদিয়ত বা দাসত্ব জীবনের চিত্র রয়েছে। এই কারণেই রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেছেনঃ ''ইসলামে দুনিয়াদারী ত্যগ করে কোন ইবাদত নেই।'' মোট কথা, ইসলামে এমন কোন কাজের শ্বীকৃতি নেই যা অনর্থক,উদ্দেশ্যহীন ও ফাহেশা। যা বৈধ ও কল্যণকর হিসাবে বিবেচনায় আসে না এমন সবকিছুই ইসলামে আনর্থত ও মূল্যহীন। তাই নিয়্যতের উপর মানুষের জীবন যাপ্ন করা ইসলামের উদ্দেশ্য। নিয়াতের বিশুদ্ধতার আভাবে একটি ভাল কাজ বা নেক আমলও ব্যত্তির জন্য কোন কল্যনজনক বা ছাওইয়াবের কারণ নাও হতে পারে । মহান আল্লাহ্ তাঁর বান্দাহদেরকে শিক্ষা দিয়ে বলেনঃ ''আপনি বলেন, আমার নামায, আমার কুরবানী এবং আমার জীবন ও মরন বিশ্ব- প্রতিপালক আল্লাহ্রই জন্যে। তাঁর কোন আংশীদার নেই। আমি তাই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি প্রথম আনুগত্যশীল।''
আলোচ্য আয়াতে আনুগতোর চরম বাণী বিবৃত হয়েছে। আর এ রকম জীবন পদ্ধতির নামই ইসলাম যা প্রিয়নবী (সঃ)-এর নির্দেশিত পথ তথা তরিকায়ে মুহাম্মাদিয়ার মূল উদ্দেশ্য। ইহা বিশ্বাসী বান্দাহদের জীবনাচারের আবশ্যকীয় আনুশীলনের বিকল্পহীন অবলম্বন...।।যেসব কাজ আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রাসূলের সন্তূষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে করে থাকে সেগুলোর নামই হল ইবাদত ।আর মানুষের জীবন যখন উবুদিয়ত আথাৎ দাসত্বের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে যায় সে সময়ই তার জীবনের সকল কাজ বা আমলিয়াত ইবাদাতে গণ্য হয়। আল্লাহর প্রকৃত দাসত্ব অর্জনের শিক্ষা রাহমাতুল্লিল আলানীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবন থেকেই পাওয়া যায়।নবী পাকের পছন্দনীয় সকল কাজ আমাদের জন্য ইবাদত আর যেসব কাজ তাঁর কাছে আপছন্দনীয় ছিল সেগুলো আমাদের জন্য মা'ছিয়ত আথাৎ গুনাহ। তাই রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর তাবেদারীই হলো আল্লাহর তাবেদারী, আর এটাই প্রকৃষ্ট উবুদিয়ত বা দাসত্ব।একজন মানুষের যে কো ন কাজই ইবাদতে গণ্য হতে পারে যদি তার কাজে নিয়্যতের শুদ্ধতা থাকে এবং উদ্দেশ্য হয় আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের সন্তূষ্টি অর্জন। এই অর্থে মানুষের জীবনের এমন কোন কাজই নেই যা ইবাদতে সামিল হতে পারে না । যেমন -একজন লকের বিবাহের উদ্দেশ্য যদি হয়- গুনাহ থেকে বেচেঁ থাকা এবং পারিবারিক ব্যবহার দিয়ে আল্লাহর কাছে ভাল মানুষ হিসেবে পরিগনিত হওয়া। যেমন রাসূলুল্লাহ(সঃ) বলেছেনঃ ''তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম যে তার পরিজনের কাছে ভাল মানুষ হিসাবে বিবেচিত। আর এই বিবাহের উদ্দেশ্য এও হতে পারে যে, নেক সন্তানাদি দুনিয়ায় রেখে যাওয়া;যাদের নেকীর দ্বারা মাতা-পিতা চরম লাভবান হতে পারেন। তাহলে নিয়াত ও উদ্দেশের শুদ্ধতার কারণে ব্যত্তির বিবাহকর্ম, সন্তানাদি জন্মদানসহ দাম্পত্য জীবনের প্রতিটি ভাল কাজই ইবাদাত গণ্য হবে। আনুরূপভাবে হালাল উপার্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য করা, দৈহিক-মানসিক পরিশ্রম করা বা আন্য যে কোন ভাবে নিজের ও পরিবার-পরিজনের হালাল রোযি-রিজেকের বন্দবস্ত করার প্রচেষ্টা চালানো, এ শব কিছুতেই বান্দার উবুদিয়ত বা দাসত্ব জীবনের চিত্র রয়েছে। এই কারণেই রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেছেনঃ ''ইসলামে দুনিয়াদারী ত্যগ করে কোন ইবাদত নেই।'' মোট কথা, ইসলামে এমন কোন কাজের শ্বীকৃতি নেই যা অনর্থক,উদ্দেশ্যহীন ও ফাহেশা। যা বৈধ ও কল্যণকর হিসাবে বিবেচনায় আসে না এমন সবকিছুই ইসলামে আনর্থত ও মূল্যহীন। তাই নিয়্যতের উপর মানুষের জীবন যাপ্ন করা ইসলামের উদ্দেশ্য। নিয়াতের বিশুদ্ধতার আভাবে একটি ভাল কাজ বা নেক আমলও ব্যত্তির জন্য কোন কল্যনজনক বা ছাওইয়াবের কারণ নাও হতে পারে । মহান আল্লাহ্ তাঁর বান্দাহদেরকে শিক্ষা দিয়ে বলেনঃ ''আপনি বলেন, আমার নামায, আমার কুরবানী এবং আমার জীবন ও মরন বিশ্ব- প্রতিপালক আল্লাহ্রই জন্যে। তাঁর কোন আংশীদার নেই। আমি তাই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি প্রথম আনুগত্যশীল।''
