মীলাদ শরীফ-কিয়াম শরীফ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের যামানাতেই ছিল মীলাদ শব্দের অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছিফত করা ও তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা। অতএব, তা আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসহ সবারই সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। আমরা যেভাবে মজলিস করে মীলাদ মাহফিল করে থাকি তা খোদ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণের যামানাতেই ছিল।
এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা তাঁর নিজ গৃহে সমবেত ছাহাবীগণকে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দ ও খুশী প্রকাশ করেছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর প্রশংসা তথা তাছবীহ তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর
পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর (ছলাত- সালাম) দুরূদ শরীফ পাঠ করছিলেন। এমন সময় হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় উপসি'ত হলেন। (তিনি যখন উপসি'ত হলেন, সমবেত লোকজন দাঁড়িয়ে অর্থাৎ
ক্বিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন) তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “তোমাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব। (সুবুলুল হুদা ফি মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী ও মীলাদে আহমদী, পৃষ্ঠা ৩৫৫)
আরো ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে হযরত আবূ আমের আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর গৃহে উপসি'ত
হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তাঁর সন্তানাদি এবং আত্মীয়- স্বজন, জ্ঞাতী-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে রসূল পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফের ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস অর্থাৎ এই
দিবসে রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে তাশরীফ এনেছেন। (তিনি যখন উপসি'ত হলেন সমবেত
লোকজন দাঁড়িয়ে কিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন।)
তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ
তায়ালা তাঁর রহমতের দরজা তোমাদের জন্য উন্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফিরিস্তাগণ তোমার জন্য
ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ কিয়ামত পর্যন্ত তোমাদের মত এরূপ করবেন। তোমার মত সেও নাজাত ও ফযীলত লাভ করবে।” (কিতাবুত তানবীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযির, ছুবুলুল হুদা ফী মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিলাদ-ক্বিয়ামের অসংখ্য দলিলের মধ্যে সামান্য কিছু
নিম্নরূপ :
আল্লাহপাক বলেন ” নিশ্চয় আমি এবং আমার ফেরেশতাগন আমার হাবিবের প্রতি দরুদ পেশ করে থাকি, সুতরাং মু’মিনগন তোমরাও বেশি করে তাঁর ওপরে দরুদ শরীফ পেশ করো ও আদবের সাথে ( বার বার ) তাঁকে সালাম
দাও।”( সূরা আহযাব-৫৬,) প্রকাশ থাকেযে মহান আল্লাহপাকের হুকুম মানা ফরজ বলেই পবিত্র কুরআন
শরীফে ” তোমরা ঈমান আনয়ন করো, নামাজ আদায় করো, যাকাত দাও, রোযা রাখ, সামর্থ থাকলে হজ্জ আদায়
করো ” ইত্যাদি হুকুমের কারনে উল্লেখিত বিষয়গুলো মুসলিমদের জন্য পালন করা যদি ফরজ হয়ে থাকে তাহলে সেই আল্লাহপাকেরই হুকুম ” হে ঈমানদারগন তোমরা আমার নবীর ওপরে ( বেশি করে ) দরুদ শরীফ পেশ করো এবং আদবের সাথে তাঁকে (বার বার) সালাম দাও।” (সূরা আহযাব ৫৬)। এই হুকুম পালন করাও মুমিনদের জন্য কি হবে? বিবেক সম্পন্ন পাঠক গন চিন্তা করুন। কওমী মৌলভীদের সকল কিতাবের লেখক মুরুব্বীগনের কিতাব
(১) ইমদাদুল মুশতাক ৩৮পৃঃ, (২) মাওয়ায়িজে আশরাফিয়া, (৩) আশরাফুল জাওয়াব, (৪) মাকতুবাতে মাদানী, (৫)
মুরকুমাতে ইমদাদিয়াহ, (৬) হাশিয়ায়ে হায়দারী, (৭) তাছাউফ তত্ত ৩৯-৪৩ পৃঃ এবং (৮) ফায়ছালায়ে হাফতি মাসায়েল ৭ পৃঃ সহ – (৯) বুখারী ১/১৭৮, ২/৫৯১ পৃঃ (১০) মুসলিম ২/৯৫, ১/৩১২, ৩১৩পৃঃ (১১) মিশকাত ৪০২, ৪০৩পৃঃ, (১২) মিরকাত, (১৩) লুময়াত, (১৪) আশয়াতুল লুময়াত, (১৫) মুসতাদরেকে হাকিম, (১৬) সুনানুদ দ্বারিমী, (১৭) দ্বারি কুতনী, (১৮) মিলাদে আহম্মদি ১/৪৭পৃঃ, (১৯) তাফসীরে রুহুল বয়ান, (২০) মিসবাহুয যুজাজাহ আলা সুনানে ইবনে মাজাহ, (২১) ফতহুল মুবিন লি ইমাম নববী, (২২) জামিউল ফতওয়া, (২৩)
মজমুয়ায়ে ফতওয়ায়ে আযীযিয়া, (২৪) ফতওয়ায়ে বরকতিয়া, (২৫) রুদ্দুল মুহতার, (২৬) হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা, (২৭) আহকামে শরীয়ত, (২৮) সুন্নীহ বেহেশতী জেয়র, (২৯) জায়াল হক্ব, (৩০) কিতাবুত তানবীর, (৩১) ফি মাওলুদিল বাশীর ওয়ান নাযীর, (৩২) ছুবুলুল হুদা ফি মাওলুদিল মুস্তাফা, (৩৩) হুসনুল মাকসিদ, (৩৪) সীরতে শামী ১/৮৪৩, ১/১৪৫পৃঃ, (৩৫) সীরতে নববী, (৩৬) যুরকানী, (৩৭) মা সাবাতা বিছ সুন্ন্াহ, (৩৮) আদ দুররুল মুনাযযাম, (৩৯) ছাবিলুল হুদা ওয়ার রাশাদ, (৪০) আল ইনতিবাহ্ , (৪১) মিয়াতে মাসায়িল, (৪২) মিরআতুয
যামান, (৪৩) আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ১/১১ পৃঃ, (৪৪) আল মাওলূদুল কবীর, (৪৫ ) ইশবাউল কালাম, (৪৬) আশ শিফা, (৪৭) আল মুলাখ খাছ, (৪৮) কিতাবুস্ সীরাতিল মুহম্মাদিয়া, (৪৯) আল জাওহারুল মুনাজ্জাম, (৫০) আল ইনসানুল উয়ুন ১/১০০পৃঃ, (৫১) ইক্বদুল জাওহার, (৫২) আস্ সুলুকুল মুয়াজ্জাম, (৫৩) ক্বিয়ামুল মিল্লাহ, (৫৪) নুযহাতুল মাজালিস, (৫৫) হাবিউল ফাতওয় ১/২৬২পৃঃ (৫৬) সিরাতে হালবিয়া ১/৮৪, ৯৯পৃঃ, (৫৭) আলগীরী ১/৩৬, ১৩৬পৃঃ, (৫৮) কবিরী ১/২৫৬পৃঃ, (৫৯) আশবাউন নাযায়ের ১/১৮০পৃঃ, (৬০) কওমীদের কিতাব ইমদাদুল ফতুয়া ৪/২৭১ পৃঃ, (৬১) মাদারীজুন নবুওয়াত ২/৬১ পৃঃ (৬২) থানোবির তাবলীগ ১/৩৮ পৃঃ, (৬৩) শিফাউছ সুদুর ১/১০পৃঃ, (৬৪) আকাঈদে দেওবন্দ ১/১৯ পৃঃ (৬৫) হুসাইন আহম্মদ মাদানী লিখিত মাকতুবাতে শাইখুল ইসলাম ১/২৩৯পৃঃ, (৬৬) আবু দাউদ ৪০২ পৃঃ, (৬৭) আইনী ৫/২৫৪ পৃঃ (৬৮) মাজমাউল ফাতুয়া ২/১৬১ পৃঃ (৬৯) মাওয়াহেব ১/৪৪৫ পৃঃ (৭০) মাকতুবাতে মোজাদ্দিদ আলফেসানী ১/৩৫৩ পৃঃ ইত্যাদি সহ প্রায় ৩৫০ টি কিতাব)।
তারা নুরে মুজাস্সাম হাবিবুল্লাহ্ হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মান্য করা জরুরী বলেছে অথচ নিজেরাই উনার আদর্শ বাদ দিয়ে কুরআন সুন্নাহর বিপরীত হারাম আমল ইহুদী খ্রীষ্টানের আদর্শ যেমন ইসলামের দোহাই দিয়ে ছবি, ভিডিও, টিভি, হরতাল, লংমার্চ ইত্যাদি এমনকি ইসলামের দোহাই দিয়ে তারা গণতন্ত্র করে থাকে যার প্রধান কথা “জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস” নায়ুযুবিল্লাহ্। অথচ পবিত্র কুরআনের কথা ”আল্লাহই সর্বময় ক্ষমতার উৎস”- সুরা বাকারাহ্ ২০। সর্বোপরি মিলাদ ক্বিয়াম সম্পর্কে কওমী মৌলভীদের সকলের পীর মাওলানা শামছুল হক (রহঃ) তাছাউফ তত্ত ¡ কিতাবের ৩৯-৪৩ পৃষ্ঠা পর্যন্ত লিখেন নুরে মুজাস্সাম হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বসে ছালাম দেয়া ভদ্রলোকদের জন্য বড়ই বেয়াদবীর বিষয়। তাঁকে দাাঁড়িয়ে ছালাম দেয়াই আদব। সুতরাং তাদের মুরব্বী ও পীরের ভাষায়ই মিলাদ ক্বিয়ামের বিরোধীতার কারনে তারা চুড়ান্ত পর্যায়ের বেয়াদব ও ইতর। আর নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে বেয়াদবী করা প্রকাশ্য কুফরী।
Collected from Muridane Fultali
এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা তাঁর নিজ গৃহে সমবেত ছাহাবীগণকে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দ ও খুশী প্রকাশ করেছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর প্রশংসা তথা তাছবীহ তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর
পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর (ছলাত- সালাম) দুরূদ শরীফ পাঠ করছিলেন। এমন সময় হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় উপসি'ত হলেন। (তিনি যখন উপসি'ত হলেন, সমবেত লোকজন দাঁড়িয়ে অর্থাৎ
ক্বিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন) তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “তোমাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব। (সুবুলুল হুদা ফি মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী ও মীলাদে আহমদী, পৃষ্ঠা ৩৫৫)
আরো ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে হযরত আবূ আমের আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর গৃহে উপসি'ত
হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তাঁর সন্তানাদি এবং আত্মীয়- স্বজন, জ্ঞাতী-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে রসূল পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফের ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস অর্থাৎ এই
দিবসে রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে তাশরীফ এনেছেন। (তিনি যখন উপসি'ত হলেন সমবেত
লোকজন দাঁড়িয়ে কিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন।)
তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ
তায়ালা তাঁর রহমতের দরজা তোমাদের জন্য উন্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফিরিস্তাগণ তোমার জন্য
ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ কিয়ামত পর্যন্ত তোমাদের মত এরূপ করবেন। তোমার মত সেও নাজাত ও ফযীলত লাভ করবে।” (কিতাবুত তানবীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযির, ছুবুলুল হুদা ফী মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিলাদ-ক্বিয়ামের অসংখ্য দলিলের মধ্যে সামান্য কিছু
নিম্নরূপ :
আল্লাহপাক বলেন ” নিশ্চয় আমি এবং আমার ফেরেশতাগন আমার হাবিবের প্রতি দরুদ পেশ করে থাকি, সুতরাং মু’মিনগন তোমরাও বেশি করে তাঁর ওপরে দরুদ শরীফ পেশ করো ও আদবের সাথে ( বার বার ) তাঁকে সালাম
দাও।”( সূরা আহযাব-৫৬,) প্রকাশ থাকেযে মহান আল্লাহপাকের হুকুম মানা ফরজ বলেই পবিত্র কুরআন
শরীফে ” তোমরা ঈমান আনয়ন করো, নামাজ আদায় করো, যাকাত দাও, রোযা রাখ, সামর্থ থাকলে হজ্জ আদায়
করো ” ইত্যাদি হুকুমের কারনে উল্লেখিত বিষয়গুলো মুসলিমদের জন্য পালন করা যদি ফরজ হয়ে থাকে তাহলে সেই আল্লাহপাকেরই হুকুম ” হে ঈমানদারগন তোমরা আমার নবীর ওপরে ( বেশি করে ) দরুদ শরীফ পেশ করো এবং আদবের সাথে তাঁকে (বার বার) সালাম দাও।” (সূরা আহযাব ৫৬)। এই হুকুম পালন করাও মুমিনদের জন্য কি হবে? বিবেক সম্পন্ন পাঠক গন চিন্তা করুন। কওমী মৌলভীদের সকল কিতাবের লেখক মুরুব্বীগনের কিতাব
(১) ইমদাদুল মুশতাক ৩৮পৃঃ, (২) মাওয়ায়িজে আশরাফিয়া, (৩) আশরাফুল জাওয়াব, (৪) মাকতুবাতে মাদানী, (৫)
মুরকুমাতে ইমদাদিয়াহ, (৬) হাশিয়ায়ে হায়দারী, (৭) তাছাউফ তত্ত ৩৯-৪৩ পৃঃ এবং (৮) ফায়ছালায়ে হাফতি মাসায়েল ৭ পৃঃ সহ – (৯) বুখারী ১/১৭৮, ২/৫৯১ পৃঃ (১০) মুসলিম ২/৯৫, ১/৩১২, ৩১৩পৃঃ (১১) মিশকাত ৪০২, ৪০৩পৃঃ, (১২) মিরকাত, (১৩) লুময়াত, (১৪) আশয়াতুল লুময়াত, (১৫) মুসতাদরেকে হাকিম, (১৬) সুনানুদ দ্বারিমী, (১৭) দ্বারি কুতনী, (১৮) মিলাদে আহম্মদি ১/৪৭পৃঃ, (১৯) তাফসীরে রুহুল বয়ান, (২০) মিসবাহুয যুজাজাহ আলা সুনানে ইবনে মাজাহ, (২১) ফতহুল মুবিন লি ইমাম নববী, (২২) জামিউল ফতওয়া, (২৩)
মজমুয়ায়ে ফতওয়ায়ে আযীযিয়া, (২৪) ফতওয়ায়ে বরকতিয়া, (২৫) রুদ্দুল মুহতার, (২৬) হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা, (২৭) আহকামে শরীয়ত, (২৮) সুন্নীহ বেহেশতী জেয়র, (২৯) জায়াল হক্ব, (৩০) কিতাবুত তানবীর, (৩১) ফি মাওলুদিল বাশীর ওয়ান নাযীর, (৩২) ছুবুলুল হুদা ফি মাওলুদিল মুস্তাফা, (৩৩) হুসনুল মাকসিদ, (৩৪) সীরতে শামী ১/৮৪৩, ১/১৪৫পৃঃ, (৩৫) সীরতে নববী, (৩৬) যুরকানী, (৩৭) মা সাবাতা বিছ সুন্ন্াহ, (৩৮) আদ দুররুল মুনাযযাম, (৩৯) ছাবিলুল হুদা ওয়ার রাশাদ, (৪০) আল ইনতিবাহ্ , (৪১) মিয়াতে মাসায়িল, (৪২) মিরআতুয
যামান, (৪৩) আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ১/১১ পৃঃ, (৪৪) আল মাওলূদুল কবীর, (৪৫ ) ইশবাউল কালাম, (৪৬) আশ শিফা, (৪৭) আল মুলাখ খাছ, (৪৮) কিতাবুস্ সীরাতিল মুহম্মাদিয়া, (৪৯) আল জাওহারুল মুনাজ্জাম, (৫০) আল ইনসানুল উয়ুন ১/১০০পৃঃ, (৫১) ইক্বদুল জাওহার, (৫২) আস্ সুলুকুল মুয়াজ্জাম, (৫৩) ক্বিয়ামুল মিল্লাহ, (৫৪) নুযহাতুল মাজালিস, (৫৫) হাবিউল ফাতওয় ১/২৬২পৃঃ (৫৬) সিরাতে হালবিয়া ১/৮৪, ৯৯পৃঃ, (৫৭) আলগীরী ১/৩৬, ১৩৬পৃঃ, (৫৮) কবিরী ১/২৫৬পৃঃ, (৫৯) আশবাউন নাযায়ের ১/১৮০পৃঃ, (৬০) কওমীদের কিতাব ইমদাদুল ফতুয়া ৪/২৭১ পৃঃ, (৬১) মাদারীজুন নবুওয়াত ২/৬১ পৃঃ (৬২) থানোবির তাবলীগ ১/৩৮ পৃঃ, (৬৩) শিফাউছ সুদুর ১/১০পৃঃ, (৬৪) আকাঈদে দেওবন্দ ১/১৯ পৃঃ (৬৫) হুসাইন আহম্মদ মাদানী লিখিত মাকতুবাতে শাইখুল ইসলাম ১/২৩৯পৃঃ, (৬৬) আবু দাউদ ৪০২ পৃঃ, (৬৭) আইনী ৫/২৫৪ পৃঃ (৬৮) মাজমাউল ফাতুয়া ২/১৬১ পৃঃ (৬৯) মাওয়াহেব ১/৪৪৫ পৃঃ (৭০) মাকতুবাতে মোজাদ্দিদ আলফেসানী ১/৩৫৩ পৃঃ ইত্যাদি সহ প্রায় ৩৫০ টি কিতাব)।
তারা নুরে মুজাস্সাম হাবিবুল্লাহ্ হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মান্য করা জরুরী বলেছে অথচ নিজেরাই উনার আদর্শ বাদ দিয়ে কুরআন সুন্নাহর বিপরীত হারাম আমল ইহুদী খ্রীষ্টানের আদর্শ যেমন ইসলামের দোহাই দিয়ে ছবি, ভিডিও, টিভি, হরতাল, লংমার্চ ইত্যাদি এমনকি ইসলামের দোহাই দিয়ে তারা গণতন্ত্র করে থাকে যার প্রধান কথা “জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস” নায়ুযুবিল্লাহ্। অথচ পবিত্র কুরআনের কথা ”আল্লাহই সর্বময় ক্ষমতার উৎস”- সুরা বাকারাহ্ ২০। সর্বোপরি মিলাদ ক্বিয়াম সম্পর্কে কওমী মৌলভীদের সকলের পীর মাওলানা শামছুল হক (রহঃ) তাছাউফ তত্ত ¡ কিতাবের ৩৯-৪৩ পৃষ্ঠা পর্যন্ত লিখেন নুরে মুজাস্সাম হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বসে ছালাম দেয়া ভদ্রলোকদের জন্য বড়ই বেয়াদবীর বিষয়। তাঁকে দাাঁড়িয়ে ছালাম দেয়াই আদব। সুতরাং তাদের মুরব্বী ও পীরের ভাষায়ই মিলাদ ক্বিয়ামের বিরোধীতার কারনে তারা চুড়ান্ত পর্যায়ের বেয়াদব ও ইতর। আর নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে বেয়াদবী করা প্রকাশ্য কুফরী।
Collected from Muridane Fultali